স্বাগতম!

আমার সাইটে সবাইকে আমন্ত্রণ জানাচ্ছি। আমার লেখাগুলো পড়ুন। ভালো লাগা-মন্দ লাগা জানান। সবাইকে শুভেচ্ছা।

প্রত্যাগতের খলবলানি

ঈদের ছুটি শেষে ঢাকায় ফিরছি হঠা জিসান মেহবুবের ফোন কথামতো শ্যামনগর
বাস
স্টপেজে দেখা করি আমরা শিশু কিশোর দ্বীন দুনিয়ার নভেম্বর১০
সংখ্যাটি
ধরিয়ে দিলেন আমার হাতে বললেন লেখার কথা তিনি আগেও কয়েকবার ফোন
করে
লিখতে বলেছিলেন লেখা হয়ে উঠেনি আসলে ব্যস্ততা অজুহাত হতে পারে-
কারণ
নয় বললাম অবশ্যই লিখবো চোখের সামনে ভেসে উঠলো নাম না জানা অগণন
লেখিয়ে
বন্ধুদের কাল্পনিক মুখ
বাসে
বসেই নভেম্বর১০ সংখ্যাটি পড়ে শেষ করলাম ঢাকায় এসে সংগ্রহ করেছি
অক্টোবর
ডিসেম্বর সংখ্যা মুহাম্মদ আবু সুফিয়ান, যাদের লেখা আমি আগ্রহ
নিয়ে
পড়ি সে তাদের অন্যতম অনেক প্রবীণ বড় বড় লেখকদের মতো তার
জানা
-শোনা বেশি না হলেও মনের ভাব গুছিয়ে লিখতে তার তুলনা নেই হোক চিঠি
অথবা
ছড়া তবে ডিসেম্বর১০ সংখ্যায়‌‌বিবর্ণ শহরের ষড়ঋতুছড়ার শেষ
স্তবকে
কিছুটা তাড়াহুড়োর ছাপ পেয়েছি নবীন হাতের কলম হতে বিভাগে ভাল
লাগার
তালিকায় অন্যদের মধ্যে আছে শফিউল্লাহ নোমানী, তানজিল আহমদ রিমন
. জাহান প্রিন্সের লেখা
ফুরফুরে
মেজাজ তার
ফুরফুরে
স্বভাব,
খিদে
পেলে শুধু খায়
কচি
-কাঁচা ডাব

লিকলিকে
দেহ তার
ঝলমলে
দাঁত,
ভালোবাসে
খেতে রোজ
আমন
ধানের ভাত

নাকখানি
তার ইয়া বড়
কান
দুটি লম্বা,
পা
দুটি দেখতে যেন
তাল
গাছের খাম্বা
উপরের
ছড়াটি  শিকিদ্বীদু নিয়মিত লেখক নারায়ণ চন্দ্র রায়ের দাদা এখন আর
নবীনটি
নেই দাদা, আপনার ছড়াটির একটু সম্পাদনা করার দু:সাহস দেখালাম
এটাকে
যদি আমারপণ্ডিতগিরি দেখানোমনে করেন, তবে ক্ষমা চাচ্ছি ভালো
ছড়া
লিখতে ৎসাহ প্রদানই আমার উদ্দেশ্য আপনার প্রতি পরামর্শ থাকলো হাবিব
রহমানের
বাংলা ছন্দ অলংকারবইটি পড়ার জন্য এবার দেখুন তো কেমন হলো
ছড়ার
চেহারা-
ফুরফুরে
মেজাজ-
অদ্ভুত
ভাব,
খিদে
পেলে শুধু খায়
কচি
-কাঁচা ডাব

লিকলিকে
দেহ তার
ঝলমলে
দাঁত,
ভালোবাসে
খেতে রোজ
ডাল
আর ভাত

নাকখানি
ইয়া বড়
কান
দুটি লম্বা,
পা
দুটি দেখতে যে
তাল
গাছ খাম্বা

কবিতামালায়
মাহমুদুল হাসান নিজামী, গাজী হাবিবুর রহমান ইয়াহইয়া নিজামীর
লেখা
কাঙ্ক্ষিত মানোত্তীর্ণ হতে পারেনি সংখ্যায় চমৎকার একটি লেখা
পেয়েছি
মনিফা নাসরিনের আরকানুল ইসলাম লিমেরিকের ছড়া লিখলেও তৃতীয়টি
কিন্তু
লিমেরিক ছিল না
পর্যন্ত পড়ে পাঠকরা......ব্যাপারটা ঠিক সেরকম নাকথাগুলো না লিখলে
আরমান
আরজুর গল্পটা আরো সুন্দর হতো বলে মনে করি গল্প-কাহিনী-প্রবন্ধের
ব্যাপারটি
পাঠকের কাছ থেকেই আসতে পারতো সোহেল রানা বীরেরঅসংগতির
একদিন
গল্পে অনেক লম্বা লম্বা বাক্যের সাক্ষা পেয়েছি যেমন- “কেউ বাপের
টাকায়
সিগারেট খেলে ফরিদের কিছু যায় না আসলেও বন্ধুদের সিগারেট খাওয়া
নিয়ে
রয়েছে তার যথেষ্ট আগ্রহ এবং কৌতূহল কেন তারা সিগারেট খায়’’
ব্যাপারে
আরো যত্নবান হওয়া দরকার
এবার
আসিতোমাদের পাতা বার্গাস য়োসাকে নিয়ে আরমান আরজুর লেখাটি
অপ্রাসঙ্গিক বা কারণ ছাড়া প্রসংগ পাল্টানো’ (জিসান মেহবুবের ভাষায়)
হয়েছে
বলে আমার মনে হয় না তবে অপ্রত্যাশিতভাবে তার সাথে জুড়ে দেওয়া
গার্সিয়া
মার্কেজ এরমুখ চাওয়া-চাওয়ি নেইবিষয়টা তার ব্যক্তিগত কারো
সাথে
(শিকিদ্বীদু লেখক হবার সম্ভাবনা বেশি) ‘মুখ না চাওয়া-চাওয়ি
ইংগিত
বলে আমার কাছে মনে হয়েছে! আমি বরং বুঝতে পারিনিআক্কলেরে ইশারা
বেক্কলেরে
ঠেশারা এক কথায় বুঝবেন না বুঝলে কিচ্ছু করার নেইকথা দ্বারা
খাদিজা
বেগম কোনঠেশারাকারী প্রতিইশারাকরেছেনআরমান শব্দের অর্থ
কামনা
, আরজু শব্দের অর্থও কামনামিত্র খলিলের মুখ দিয়ে কথাটা মানানসই
হয়নি
কেননা, মিত্র শব্দের অর্থবন্ধু’, খলিল শব্দের অর্থওবন্ধু
তিনি
এক জনমে কত জনের কত ভাল বন্ধু হতে পারবেন’- সে প্রশ্নও অন্যরা
তুলতে
পারেনজবাবও পেয়েছিলেন ঠিক মতো জনাব মিত্র খলিল”- সোহেল রানা
বীরের
লেখায়জনাবশব্দটির ব্যবহারে মিত্র খলিলের প্রতি বীরের সুক্ষ্ন
তাচ্ছিল্য
প্রকাশ পেয়েছে
নাম
নিয়ে কথা বলা হয়তো ঠিক হবে না তবুও রবিউল কমলকে (রবিউল ইসলাম) নিয়ে
একটু
বলতে হচ্ছে মডেলিং, উপস্হাপনার খাতিরে বা আধুনিক হতে কিইসলাম
শব্দটি
বাদ দিয়েকমললাগাতে হয়েছে? ‘ইসলামশব্দটি কি খুব ব্যাকডেটেড?
নাকি
মৌলবাদি-জঙ্গির গন্ধ বের হয়? আর যদি অনেকের নামরবিউল ইসলামআছে
তাই
বৈসাদৃশ্য আনতে হয়, তবুও কিইসলামশব্দটি রাখা যেতো না? লোহাগড়ার
মুহাম্মদ
আনোয়ারুল ইসলামের বিরুদ্ধেযুদ্ধাপরাধবাদেশকে অস্থিতিশীল
করার
ষড়যন্ত্র অভিযোগে মামলা হবার সম্ভাবনা আছে! সাবধান!
প্রায়
আড়াই বছর পরে আবার ফিরে এলাম শিশু কিশোর দ্বীন দুনিয়ায় শেষ করছি
সবাইকে
ধন্যবাদ জানিয়ে নিচের ছড়াটি খাদিজা বেগমের জন্য
এই
পাতাটা হবে যদি
মনের
কথা লেখার,
মুক্তবচন
আলোচনা
দেখার
পড়ার শেখার;
মনের
কথাই লিখবো আমি
চিঠি
কিম্বা ছড়ায়,
আপত্তি
ক্যান থাকবে তাতে
বাধ
সাধিবে পড়ায়?

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন