‘হাসান’ নামের প্রতি আমার একটা দুর্বলতা আছে। ‘হাসানুজ্জামান হাসান’ নামটা তাই খুবই প্রিয়। সেকারণে একসময় ‘তানিম ইশতিয়াক’ নামে লিখলেও পরবর্তীতে আবার হাসানুজ্জামান হাসান নামে লেখা শুরু করি। হাসান নামে অনেকে থাকলেও আমার ধারণা ছিল ‘হাসানুজ্জামান হাসান’ নামে আমি এক্ইা। সেদিন একজন বন্ধু ফেসবুকে আমার সাথে যোগাযোগ করতে চাইলে তাকে ‘হাসানুজ্জামান হাসান’ লিখে সার্চ দিতে বলি। তখন সে এইনামে ডজনখানিক ব্যক্তির সাক্ষাত পায়! সেসময়ে আামার ছবির বদলে ‘সাহিত্য সিড়ির” প্রচ্ছদ থাকায় সে বুঝতে পারেনি কোনটা আমি। শিশু কিশোর দিন দুনিয়াতেও হাসানুজ্জামান নামে অনেকে আছেন। তানিম ইশতিয়াক নামে ফেসবুকে একজনকেও পায়নি। (তানিম এবং ইশতিয়াক পৃথকভাবে অনেকে আছেন)। এখন থেকে আমি তানিম ইশতিয়াক নামে লিখতে চাই। হাসানের প্রতিবিম্ব তানিম।
রাশেদ রুহানীর চিঠিটি পড়ে হাসব না অখুশি হবো বুঝতে পারিনি, মাঝামাঝি একটা অবস্থা। এপ্রিল সংখ্যার প্রতিটি লেখার ব্যাপারে তিনি মতামত ব্যক্ত করেছেন। সব লেখাই প্রশংসিত হয়েছে। তবে উম্মে হানি, জিসান মেহবুব, ফারুক হাসান প্রমুখের লেখা তার ‘দৃষ্টিতে’ ছন্দ-মাত্রায় উত্তীর্ণ হতে পারেনি। তাতে অসুবিধে নেই। কারণ তার দৃষ্টি ছিল একচোখের। দুই চোখ দিয়ে দেখতে পারেননি বলে এমনটি হয়েছে! দু:খিত, রুহানী ভাই, রুহে (আত্মা) আঘাত নিবেন না। কাউকে ব্যথা কথা বলা আমি প্রাণপণে এড়িয়ে চলতে চাই। আমি বুঝতে পেরেছি আপনার একচোখের দৃষ্টি পড়েছে ছড়া কবিতার স্বরবৃত্ত ছন্দের উপর। অন্য চোখ অথবা একই সাথে দুই চোখের দৃষ্টি মাত্রাবৃত্ত ও অক্ষরবৃত্ত ছন্দের উপর বুলানোর অনুরোধ করছি। উল্লেখিত লেখকরা মাত্রাবৃত্ত ছন্দে লিখেছেন। অথচ আপনি হিসাব করেছেন স্বরবৃত্ত ছন্দে। কিন্তু আবু মূছা চৌধুরী, মোল্লা মাজেদ প্রমুখের লেখা কিভাবে ‘অতুলনীয়’ হল তা আমার বোধের অতীত। কোন বিষয়ে মতামত দিতে হলে ভালভাবে জেনে বুঝে না দিলে বিব্রতকর অবস্থায় পড়তে হয়।
সাইফ মাহদীকে ধন্যবাদ সুন্দর সমালোচনার জন্য। জিসান মেহবুব লিখেছিলেন, ‘দেশ জনতার ফেলেছে সংকটে’। কিন্তু আপনার আয়নায় ‘দেশ জনতার ফেলেছে সংকট’ বিম্বিত হওয়ায় বাক্যটি আপনার সঠিক মনে হয়নি।
‘এবার মাতাল কে? আমি না আপনি। মাতলামি করে সমালোচনা করতে বসলে...’ জিসান মেহবুবকে উদ্দেশ্য করে কামরান হাসান খানের বক্তব্যাংশ এটি। আমি অবশ্যই বলবো কামরানকে মাতাল বলা জিসান মেহবুবের বাড়াবাড়ি হয়েছে। অন্য শব্দ ব্যবহার করা যেত। কিন্তু মিত্র খলিল আরমানকে‘ ছাগল’ ( যদিও তিনি বোকা অর্থে বলেছিলেন) বলায় আপনি আশংকা করেছিলেন আরমান ও তাকে ছাগল বলবেন। অথচ জিসান আপনাকে মাতাল বলায় জিসানকে পাল্টা মাতাল বলে নিজেই নিজের আশংকার প্রতিবিম্ব হয়ে ধরা দিলেন পাঠকের কাছে।
আরাফাত হোসেন (জিহাদ) বহুবচনের বাহুল্য ব্যবহারের বিরুদ্ধে ‘জিহাদ’ ঘোষণা করেছেন। বাংলা ব্যকরণের এ নিয়ম অবশ্যই মেনে চলা উচিত। তবে ছড়া কবিতার ক্ষেত্রে এ আইনের ব্যতয় মার্জনীয়। পরীক্ষার চাপে থাকায় আপনাকে দালিলিক যুক্তি দিতে পারলামনা। সবাইকে শব্দ বাক্যের ব্যবহারে ‘সতর্ক’ করতে গিয়ে কখন যে তিনি নিজেই অসতর্কতার ছায়া ফেলেছেন নিজের আরশিতে, তা তিনি বুঝতে পারেননি। তাই ‘২য় তম’ শব্দের প্রয়োগ করে বসেছেন!
নবীন হাতের কলমে মাহবুব হাসান নাসিমের লেখাটিকে সেরা বলা যায়। ঋজুয়ান ফেরদৌসের ছড়ায় ১ম চরণ স্বরবৃত্ত ছন্দের, ২য় চরণ ছন্দহীন এবং অবশিষ্ট ছয়টি চরণ চমৎকার মাত্রাবৃত্ত ছন্দের। রুবেলের ‘বন্ধু’ কবিতাটাই বছর দুই আগে আমাকে বন্ধু ফারুক ক্ষুদে বার্তা পাঠিয়েছিল। এখনো আমার মোবাইলে সেটি আছে। জানি না এর ¯্রষ্টা কে।
চেরাগ আলীদের উত্থান, বিলাসিতা, মধুচন্দ্রিমা আর শেষ নি:শ্বাসই মানুষের জীবন চক্রের নির্ভুল প্রতিবিম্ব। এ উপাখ্যানের অন্তর্নিহিত সত্যটা উপলব্ধি করতে পারলে মানব সভ্যতা পেত শান্তির সন্ধান। ধন্যবাদ মিত্র খলিল এবং ্এবাদত আলী সেখকে।
রাশেদ রুহানীর চিঠিটি পড়ে হাসব না অখুশি হবো বুঝতে পারিনি, মাঝামাঝি একটা অবস্থা। এপ্রিল সংখ্যার প্রতিটি লেখার ব্যাপারে তিনি মতামত ব্যক্ত করেছেন। সব লেখাই প্রশংসিত হয়েছে। তবে উম্মে হানি, জিসান মেহবুব, ফারুক হাসান প্রমুখের লেখা তার ‘দৃষ্টিতে’ ছন্দ-মাত্রায় উত্তীর্ণ হতে পারেনি। তাতে অসুবিধে নেই। কারণ তার দৃষ্টি ছিল একচোখের। দুই চোখ দিয়ে দেখতে পারেননি বলে এমনটি হয়েছে! দু:খিত, রুহানী ভাই, রুহে (আত্মা) আঘাত নিবেন না। কাউকে ব্যথা কথা বলা আমি প্রাণপণে এড়িয়ে চলতে চাই। আমি বুঝতে পেরেছি আপনার একচোখের দৃষ্টি পড়েছে ছড়া কবিতার স্বরবৃত্ত ছন্দের উপর। অন্য চোখ অথবা একই সাথে দুই চোখের দৃষ্টি মাত্রাবৃত্ত ও অক্ষরবৃত্ত ছন্দের উপর বুলানোর অনুরোধ করছি। উল্লেখিত লেখকরা মাত্রাবৃত্ত ছন্দে লিখেছেন। অথচ আপনি হিসাব করেছেন স্বরবৃত্ত ছন্দে। কিন্তু আবু মূছা চৌধুরী, মোল্লা মাজেদ প্রমুখের লেখা কিভাবে ‘অতুলনীয়’ হল তা আমার বোধের অতীত। কোন বিষয়ে মতামত দিতে হলে ভালভাবে জেনে বুঝে না দিলে বিব্রতকর অবস্থায় পড়তে হয়।
সাইফ মাহদীকে ধন্যবাদ সুন্দর সমালোচনার জন্য। জিসান মেহবুব লিখেছিলেন, ‘দেশ জনতার ফেলেছে সংকটে’। কিন্তু আপনার আয়নায় ‘দেশ জনতার ফেলেছে সংকট’ বিম্বিত হওয়ায় বাক্যটি আপনার সঠিক মনে হয়নি।
‘এবার মাতাল কে? আমি না আপনি। মাতলামি করে সমালোচনা করতে বসলে...’ জিসান মেহবুবকে উদ্দেশ্য করে কামরান হাসান খানের বক্তব্যাংশ এটি। আমি অবশ্যই বলবো কামরানকে মাতাল বলা জিসান মেহবুবের বাড়াবাড়ি হয়েছে। অন্য শব্দ ব্যবহার করা যেত। কিন্তু মিত্র খলিল আরমানকে‘ ছাগল’ ( যদিও তিনি বোকা অর্থে বলেছিলেন) বলায় আপনি আশংকা করেছিলেন আরমান ও তাকে ছাগল বলবেন। অথচ জিসান আপনাকে মাতাল বলায় জিসানকে পাল্টা মাতাল বলে নিজেই নিজের আশংকার প্রতিবিম্ব হয়ে ধরা দিলেন পাঠকের কাছে।
আরাফাত হোসেন (জিহাদ) বহুবচনের বাহুল্য ব্যবহারের বিরুদ্ধে ‘জিহাদ’ ঘোষণা করেছেন। বাংলা ব্যকরণের এ নিয়ম অবশ্যই মেনে চলা উচিত। তবে ছড়া কবিতার ক্ষেত্রে এ আইনের ব্যতয় মার্জনীয়। পরীক্ষার চাপে থাকায় আপনাকে দালিলিক যুক্তি দিতে পারলামনা। সবাইকে শব্দ বাক্যের ব্যবহারে ‘সতর্ক’ করতে গিয়ে কখন যে তিনি নিজেই অসতর্কতার ছায়া ফেলেছেন নিজের আরশিতে, তা তিনি বুঝতে পারেননি। তাই ‘২য় তম’ শব্দের প্রয়োগ করে বসেছেন!
নবীন হাতের কলমে মাহবুব হাসান নাসিমের লেখাটিকে সেরা বলা যায়। ঋজুয়ান ফেরদৌসের ছড়ায় ১ম চরণ স্বরবৃত্ত ছন্দের, ২য় চরণ ছন্দহীন এবং অবশিষ্ট ছয়টি চরণ চমৎকার মাত্রাবৃত্ত ছন্দের। রুবেলের ‘বন্ধু’ কবিতাটাই বছর দুই আগে আমাকে বন্ধু ফারুক ক্ষুদে বার্তা পাঠিয়েছিল। এখনো আমার মোবাইলে সেটি আছে। জানি না এর ¯্রষ্টা কে।
চেরাগ আলীদের উত্থান, বিলাসিতা, মধুচন্দ্রিমা আর শেষ নি:শ্বাসই মানুষের জীবন চক্রের নির্ভুল প্রতিবিম্ব। এ উপাখ্যানের অন্তর্নিহিত সত্যটা উপলব্ধি করতে পারলে মানব সভ্যতা পেত শান্তির সন্ধান। ধন্যবাদ মিত্র খলিল এবং ্এবাদত আলী সেখকে।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন