কুরআন পড়ার সময় কিছু ভিন্ন ধরনের অনুভূতি হয়। এতে তো আমার কথাই লেখা। যখন আমার একান্ত কথা, নিজস্ব অভিব্যক্তি, ব্যক্তিগত দুঃখবোধ কুরআনের কাছে
সান্ত্বনা পায়, তখনকার সুখ কোনোকিছুর সাথে তুলনীয় নয়। সময়ের সাথে এসব
অনুভূতির পরিবর্তন ঘটতে পারে।
ভাবছি, এসব অনুভূতিগুলো লিখে রাখা দরকার। কোন বয়সে, কী পরিস্থিতিতে কেমনভাবে কুরআনের কাছে পথনির্দেশ পেয়েছি, অনুপ্রাণিত হয়েছি- তার একটা ব্যক্তিগত ডায়েরি হবে।
ভাবছি, এসব অনুভূতিগুলো লিখে রাখা দরকার। কোন বয়সে, কী পরিস্থিতিতে কেমনভাবে কুরআনের কাছে পথনির্দেশ পেয়েছি, অনুপ্রাণিত হয়েছি- তার একটা ব্যক্তিগত ডায়েরি হবে।
তবে এটা ঠিক কেমনভাবে শুরু করবো, বুঝতে পারছি না। আবার সাহসও পাচ্ছি না। আরো চিন্তা-ভাবনা করা দরকার।
‘আমি তোমাদের কাছে এমন একটি কিতাব নাযিল করেছি, যাতে ‘তোমাদের কথা’ আছে, অথচ তোমরা চিন্তা-ভাবনা করো না (আম্বিয়া-১০)।’
বলে রাখি, কুরআন শুধু মুসলমানদের কিতাব নয়, সমগ্র মানবজাতির জন্য নির্দেশনা। সবচেয়ে বড় কথা, কুরআন পড়ে আমি ভালোবাসতে শিখি, সকল ধর্মের, সকল বর্ণের মানুষকে। কুরআন সাম্প্রদায়িকতা (বিশেষ সম্প্রদায়ের জন্য অন্যায় প্রীতি), জাতীয়তাবাদ (নির্দিষ্ট ভূখণ্ডের জন্য অন্ধ প্রেম) উপড়ে ফেলতে চায়।
ফেসবুক
‘আমি তোমাদের কাছে এমন একটি কিতাব নাযিল করেছি, যাতে ‘তোমাদের কথা’ আছে, অথচ তোমরা চিন্তা-ভাবনা করো না (আম্বিয়া-১০)।’
বলে রাখি, কুরআন শুধু মুসলমানদের কিতাব নয়, সমগ্র মানবজাতির জন্য নির্দেশনা। সবচেয়ে বড় কথা, কুরআন পড়ে আমি ভালোবাসতে শিখি, সকল ধর্মের, সকল বর্ণের মানুষকে। কুরআন সাম্প্রদায়িকতা (বিশেষ সম্প্রদায়ের জন্য অন্যায় প্রীতি), জাতীয়তাবাদ (নির্দিষ্ট ভূখণ্ডের জন্য অন্ধ প্রেম) উপড়ে ফেলতে চায়।
ফেসবুক
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন