এক রুমে আমরা দুইজন থাকি। আমার রুমমেট Himel
আর্জেন্টিনার সমর্থক। তবে ক্রেজি সাপোর্টার বলতে যা বোঝায়, তা তিনি নন।
নীরবে মেসির দলকে সমর্থন করেন। আর্জেন্টিনার খেলার সময় উচ্চবাচ্য না করে
অধীর আগ্রহে খেলা দেখেন। দল জেতার পর স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেন।
রুমমেটের এই সমর্থন নিয়ে আমার চিন্তা-ভাবনা মাথাব্যথা ছিল না। জার্মানির সমর্থক আমি তুমুল বিতর্ক আর সমালোচনার ঝড় তুলতাম পাশের রুমের দুইজন ব্রাজিল আর আর্জেন্টিনার ক্রেজি সমর্থকের সাথে। আমি দুজনকেই ক্ষেপিয়ে তোলার চেষ্টা করতাম। ওই দুজন নিজেরা বাদানুবাদ করার পর আর্জেন্টিনার সমর্থক আমার রুমে আসতেন। সহমতের রুমমেটের সাথে কথা বলে সান্ত্বনা খুঁজতেন। এসব আমার নজরে পড়লেও রুমমেটের সাথে খেলা নিয়ে খুব একটা কথা হতো না। আমার বচসা চলতো ওদের রুমে গিয়ে ওদের সাথে।
রুমমেটের এই সমর্থন নিয়ে আমার চিন্তা-ভাবনা মাথাব্যথা ছিল না। জার্মানির সমর্থক আমি তুমুল বিতর্ক আর সমালোচনার ঝড় তুলতাম পাশের রুমের দুইজন ব্রাজিল আর আর্জেন্টিনার ক্রেজি সমর্থকের সাথে। আমি দুজনকেই ক্ষেপিয়ে তোলার চেষ্টা করতাম। ওই দুজন নিজেরা বাদানুবাদ করার পর আর্জেন্টিনার সমর্থক আমার রুমে আসতেন। সহমতের রুমমেটের সাথে কথা বলে সান্ত্বনা খুঁজতেন। এসব আমার নজরে পড়লেও রুমমেটের সাথে খেলা নিয়ে খুব একটা কথা হতো না। আমার বচসা চলতো ওদের রুমে গিয়ে ওদের সাথে।
আজ বাসায় ফিরে অবাক হয়ে লক্ষ করি, আমার রুমমেট আর্জন্টিনার জার্সি গায়ে
দিয়ে আছেন। হঠাৎ যেন খোলস ছেড়ে বেরিয়ে এসেছেন তিনি। মুহূর্তেই আমরা খেলা
নিয়ে আলোচনায় মেতে উঠি। তারপর কী বিস্ময়ে খেয়াল করি, বিশ্বকাপ আমাদের রুমেই
থাকছে। জার্মানি জিতলে আমার, আর্জেন্টিনা জিতলে তার। তবু আমরা আমরাই তো!
এক রুমের দুজনের দলই ফাইনাল খেলছে, শতাব্দীতে এমন ঘটনা খুব কমই ঘটে।
ফেসবুক
এক রুমের দুজনের দলই ফাইনাল খেলছে, শতাব্দীতে এমন ঘটনা খুব কমই ঘটে।
ফেসবুক
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন