মানুষের জীবনের সবচেয়ে মূল্যবান ও আকর্ষণীয় দিক তার অনুভূতি। ছোট ছোট
স্বপ্ন-সংঘাত কিংবা ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র চাওয়া-পাওয়ার মানবিক দ্বন্দ্বেই ঘুরপাক
খায় বেঁচে থাকা। সাফল্য-ব্যর্থতা, ভালোবাসা-অবহেলা, আনন্দ-বেদনার হাজারও
অনুভূতি আমাদেরকে আচ্ছন্ন করে, তাড়িয়ে বেড়ায়। খণ্ডিত জীবনের সেসব অখণ্ড
অনুভূতির বাস্তব চিত্রাঙ্কনের সাহস দেখিয়েছেন গল্পকার সোহেল নওরোজ। পরিচিত জীবনের উচ্চারিত-অনুচ্চারিত মনোভাবনার এমন ঝরঝরে প্রকাশে পাঠক বুঁদ না হয়ে পারে না।
ভালোবাসার খামে ভরা মেঘবালকের চিঠি তাই আমাদের নৈমিত্তিক জীবনেরই খেরোখাতা। সাহিত্যের প্রচলিত গুরুগম্ভীর ভাবধারায় নয়, সাবলীল ভঙ্গিতে লেখক ছুঁয়েছেন সাদাসিধে জীবনের যত গভীর অনুষঙ্গ। ভালোবাসা ও বেদনার যুগলবন্দী আশ্রমে এ এক সৃষ্টিশীল ভাংচুর।
‘মেঘবালকের চিঠি’ আর কারও নয়, আমাদেরই চিঠি। সময়ের কাছে জীবনের স্বগতোক্তি। অধরা অন্তরীক্ষে জড়িয়ে থাকা অনুভূতির সুখপাঠ্য সংকলন। প্রিয়জনের মুখ বুকপকেটে নিয়ে হাঁটার সময় হৃদপিণ্ডের যে ওঠানামা টের পাই, অব্যক্ত সে ধুকপুকানির স্থির ও চলমান অবয়ব ধরা দিবে এর পাতায় পাতায়। এক নিঃশ্বাসে পড়ে ফেলার মতো প্রতিটি গল্পের চরিত্রে পাঠক খুঁজে পাবেন নিজেকে, নিজের রোদবালিকাকে। মেঘবতীর আঁচলে কিংবা মায়ের কাঁথার ঘ্রাণে আপনাতেই অনুভব হবে যাপিত সময়। রসাত্মক বর্ণনার ঘটনাপুঞ্জে প্রেম-সংসার আর সমাজ বাস্তবতার যুগপৎ টানাপোড়েন ছাপিয়ে আবিষ্কৃত হবে মধ্যবিত্ত জীবন আর দেশমাতৃকার গভীর এক সৌন্দর্য।
ভালোবাসার খামে ভরা মেঘবালকের চিঠি তাই আমাদের নৈমিত্তিক জীবনেরই খেরোখাতা। সাহিত্যের প্রচলিত গুরুগম্ভীর ভাবধারায় নয়, সাবলীল ভঙ্গিতে লেখক ছুঁয়েছেন সাদাসিধে জীবনের যত গভীর অনুষঙ্গ। ভালোবাসা ও বেদনার যুগলবন্দী আশ্রমে এ এক সৃষ্টিশীল ভাংচুর।
‘মেঘবালকের চিঠি’ আর কারও নয়, আমাদেরই চিঠি। সময়ের কাছে জীবনের স্বগতোক্তি। অধরা অন্তরীক্ষে জড়িয়ে থাকা অনুভূতির সুখপাঠ্য সংকলন। প্রিয়জনের মুখ বুকপকেটে নিয়ে হাঁটার সময় হৃদপিণ্ডের যে ওঠানামা টের পাই, অব্যক্ত সে ধুকপুকানির স্থির ও চলমান অবয়ব ধরা দিবে এর পাতায় পাতায়। এক নিঃশ্বাসে পড়ে ফেলার মতো প্রতিটি গল্পের চরিত্রে পাঠক খুঁজে পাবেন নিজেকে, নিজের রোদবালিকাকে। মেঘবতীর আঁচলে কিংবা মায়ের কাঁথার ঘ্রাণে আপনাতেই অনুভব হবে যাপিত সময়। রসাত্মক বর্ণনার ঘটনাপুঞ্জে প্রেম-সংসার আর সমাজ বাস্তবতার যুগপৎ টানাপোড়েন ছাপিয়ে আবিষ্কৃত হবে মধ্যবিত্ত জীবন আর দেশমাতৃকার গভীর এক সৌন্দর্য।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন